যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ডেট্রয়েট ক্যাস টেক হাই স্কুলের সেরা শিক্ষার্থী ৪.৩১ জিপিএ ও ১.৫ মিলিয়ন ডলারের শিক্ষা বৃত্তি নিয়ে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়, ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। আর সেই সৌভাগ্যবতী হচ্ছেন মিশিগানের বাঙালি কমুউনিটির অনন্যা চন্দ জেসি। তার পিতা বিশ্বেসর চন্দ ও মা শেলী শীল। অনন্যা তাদের দ্বিতীয় কন্যা। স্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকায় তার এ কৃত্বিতের কথা গুরুত্ব দিয়ে ছাপা হয়েছে। অনন্যা জেসি এই প্রতিনিধির সাথে আলাপকালে জানান, ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সেই সাথে ওয়েন স্টেট ইউনিভার্সিটির ‘মেড-ডাইরেক্ট প্রোগ্রাম’-এ—ভর্তির সুযোগ পাওয়াটা তাঁকে এই আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে যে, একজন চিকিৎসক হওয়ার সঠিক পথেই তিনি রয়েছেন। সে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘প্রি-মেড’ ধারায় পড়াশোনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং আশা করেন যে, একদিন সে ফিরে এসে মেট্রো ডেট্রয়েট সম্প্রদায়ের সেবা করবে। ।অনন্যা ক্যাস টেকের শিক্ষার্থী থাকাকালীন বেশ কয়েকটি নেতৃত্ব স্থানীয় ভূমিকা ও কর্মসূচিতে সক্রিয় ছিলেন। তিনি ‘ন্যাশনাল অনার সোসাইটি’-র সভাপতি এবং ‘অ্যাকাডেমিক গেমস’-এর সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন; এছাড়া ‘ডক্টরস অফ টুমরো’ কর্মসূচির সাথেও তিনি যুক্ত ছিলেন। এছাড়াও অনন্যা চিকিৎসাবিষয়ক একাধিক গ্রীষ্মকালীন ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করেছেন, ওমেন অব বাংলাটাউন ইয়থ এডভাইসারি কাউন্সিল, মিশিগান মেডিসিন এর এডলসেন্ট হেলথ ইউনিসিটিভ এর আওতায় রিচ বোর্ডে দায়িত্ব পালন করেন। তাছাড়া তিনি ‘পালাজো স্ট্রজি’ বিজয়ী হিসাবে ইতালিতে বিনামূল্যে লেখাপড়া করতে পারবেন। অনন্যা জানান, তার এই সাফল্যের পিছনে সবচেয়ে বেশী অবদান রয়েছে তার মা ও বাবার। সে আরো জানয় যে, পরিবার, বন্ধু-বান্ধব এবং পরামর্শদাতাদের কাছ থেকে পাওয়া সমর্থনের জন্য তিনি কৃতজ্ঞ, আর এই বিশেষ মুহূর্তে পৌঁছাতে সাহায্য করার কৃতিত্ব তিনি তাঁদেরকেই দিয়েছেন। তিনি কনিষ্ঠ শিক্ষার্থীদের নিজেদের সম্ভাবনাকে সীমাবদ্ধ না করার জন্য উৎসাহিত করেন এবং বলেন যে, সাময়িক ব্যর্থতাও ভবিষ্যতের সাফল্যকে রূপ দিতে সহায়ক হতে পারে।
পার্থ সারথী দেব 








