আপডেট টাইম :
১০:৪০:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ এপ্রিল ২০২২
195
আলোর জন্য চাই প্রদীপ। আর প্রদীপ জ্বালাতে হলে প্রয়োজন সলতে। সলতে পাকাতে শুরু করেছিলেন তিনি। আলোও জ্বালিয়েছিলেন, যে আলোয় আলোকিত হয়েছিল বাংলার নাট্যাকাশ। তার মেধা, মনন, কৌশল, উদ্ভাবন ও একাগ্রতায় বাংলা নাটকে এসেছিল এক নতুন ধারা, মঞ্চ নাটকে এনেছিলেন এক ভিন্ন মাত্রা। বাংলা নাটকের সম্রাট যাকে বলা হয় তাকে নিয়েই বলছিলাম। গিরিশচন্দ্র ঘোষ। আজ তার প্রয়াণ দিবস। তিনি ছিলেন প্রথা বিরোধী একজন সাহসী মানুষ। তিনি একাধারে একজন কবি, নাট্যকার, নাট্যপরিচালক, নাট্যাভিনেতা, ঔপন্যাসিক, সঙ্গীতস্রষ্টা। বাংলা থিয়েটারের স্বর্ণযুগ বলতে মূলত তার সময়টাকেই বুঝায়। তিনিই প্রথম পেশাদার নাট্য সংস্থা প্রতিষ্টা করেন। ১৮৭৭ সালে মেঘনাদ বধ কাব্যে অভিনয়ের জন্য ‘সাধারণী’ পত্রিকার সম্পাদক অক্ষয়চন্দ্র সরকার তাকে ‘বঙ্গের গ্যারিক’ বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি শেকসপীয়রের ম্যাকবেথ নাটকের বাংলা অনুবাদ করেন। বাংলায় সর্বাধিক নাটক রচয়িতা গিরিশ ঘোষ মঞ্চ নাটকের এক কিংবদন্তি। তার লিখা উপন্যাস “ধ্রুব” চলচ্চিত্রে কাজী নজরুল ইসলাম গীতিকার ও সঙ্গীত পরিচালক ছিলেন।